পঞ্চাশটি ভূতের গল্প – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
আমি নিজে ভূত এবং অলৌকিক ব্যাপারস্যাপারগুলোতে বিশ্বাস করি। কেন করি, তার উত্তর আমার গল্পগুলোর মধ্যেই আছে। আমি মনে করি ভয়ের কম্বল মুড়ি দিয়ে ভূতেরা যতই অন্ধকারে মিশে থাকুক, তবুও ভূত বর্তমান। ভূত ভবিষ্যৎ। ভূত আছে এ-কথা যেমন বাজি রেখে বলা যায় না, তেমনই ভূত নেই এমন বাজিও কি ধরা যায়? ইদানীংকালে আমরা কেউ ভূত না দেখলেও বহু মানুষের বিরল অভিজ্ঞতাকে তো এককথায় উড়িয়ে দেওয়া যায় না! ভূত যুগে যুগে। ভূত দেশে দেশে। কেউ কেউ ভূতকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন মনের অলস কল্পনা বলে মনে করেন। কিন্তু বহির্ভারতে যে-সমস্ত সভ্য দেশ কুসংস্কারমুক্ত ও উন্নত, তারাও কিন্তু ভূতের অলৌকিকত্বকে মেনে নিয়েছেন। এই তো সেদিনের কথা, গারস্টিন প্লেসের পুরাতন আকাশবাণী ভবনকে ঘিরে যে সমস্ত গুণী-জ্ঞানীরা তাঁদের অলৌকিক অভিজ্ঞতার কথা লিখে গেলেন তাঁরা কি সবাই মিথ্যে কথা বলে গেলেন? যাই হোক, বিশ্বাস-অবিশ্বাস মনের ব্যাপার। এবং গল্প গল্পই। সত্য হোক, মিথ্যা হোক, যাই হোক, আমার বইয়ের সব গল্পই ভূতের। একমাত্র শেষের গল্পটিই যা ব্রহ্মদত্যির। তাও সে গল্পও আমার বানানো নয়।
সূচিপত্র:
- রাত্রির যাত্রী
- সন্ধ্যামালতী
- লক্ষ্মী আচার্যির গল্প
- সাত নম্বর ঘর
- রাতের অতিথি
- দক্ষিণবাড়ির মাঠ
- রাতদুপুরে
- প্রেত আতঙ্ক
- আজাহার মথুরার গল্প
- ঘনাপুরার কুঠিবাড়ি
- বোড়ালের সেই রাত
- অশরীরী
- প্রেতিনী
- পুরনো বাড়ি
- চাঁপাডাঙার বাঁধ
- অদৃশ্য হাত
- বালিডাঙার মাঠ
- কাঞ্চনকন্যা
- আতঙ্কের রাত
- শিমুলতলার মাধবী লজ
- শিবাইচণ্ডীর বিষ্টু মশাল
- ব্রহ্মডাঙার মাঠ
- লালুমিঞার মাঠ
- বেলগাছের মহাপ্রভু
- বছর কুড়ি আগে
